• ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal Election

কলকাতা

ক্ষমতায় এসেও বিশ্বাস হচ্ছে না! ঘুম ভেঙে বাস্তব বুঝছেন শমীক

প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দীর্ঘদিনের লড়াই, আন্দোলন এবং নানা বাধা পেরিয়ে অবশেষে এই সাফল্য পেয়েছে দল। প্রায় পনেরো বছর পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূলকে সরিয়ে এবার ক্ষমতায় বিজেপি।এই সাফল্যের পিছনে দলের যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এত বড় জয়ের পরেও তিনি যেন পুরো বিষয়টি এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না।তিনি বলেন, রাত অনেকটা দেরিতে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। সকালে সাংবাদিকরা এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলেন। ঠিকমতো বিশ্রামও হয়নি। এখনও পুরো বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না যে দল সত্যিই ক্ষমতায় এসেছে।শমীক জানান, এখন তাঁর জীবনে হঠাৎ অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করতেন, এখন তা আর নেই। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার গাড়ি দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ তাঁকে স্যালুট করায় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। একসময় তিনি স্কুটিতে ঘুরতেন, কোনও নিরাপত্তা নিতেন না। এখন হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে বিস্মিত করছে।তিনি আরও বলেন, আগে অনেক সময় নিজেকে পরিচয় দিতে হত। এখন পরিস্থিতি পুরো বদলে গেছে। এই পরিবর্তন তাঁর কাছে অবাক করার মতোই মনে হচ্ছে।এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নামের তালিকায় একাধিক নেতার নাম উঠে আসছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“জোর করে হারানো হয়েছে”—কার বিরুদ্ধে তোপ মমতার?

গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। রাউন্ড যত এগোয়, ততই ব্যবধান কমতে থাকে এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে যান।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেলে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। পরে রাতের দিকে তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন।সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট লুঠ হয়েছে। তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, জোর করে তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে তিনি আবার ফিরে আসবেন বলেও জানান।এদিকে রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিক রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। গণনা তখনও চলছিল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেন।গণনা এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরের লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

বাংলার ফল নিয়ে বড় মন্তব্য! কেন কর্মীদের ধন্যবাদ দিলেন মোদি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুজনেই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের কর্মীদের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মানুষের সমর্থনকে।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই ফলাফল মানুষের শক্তির জয় এবং সুশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বাংলার ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর আশ্বাস, নতুন সরকার মানুষের আশা পূরণে কাজ করবে এবং সবার জন্য উন্নয়ন ও সম্মান নিশ্চিত করবে।অন্যদিকে অমিত শাহ বলেন, এই জয় সহজে আসেনি। বহু কর্মী সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট সহ্য করেছেন, তবেই এই ফল এসেছে। অনেক পরিবার নানা সমস্যার মধ্যেও দলের পাশে থেকেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছানো গেছে। এই যাত্রায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। বাংলার মানুষের এই রায় তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধার নিদর্শন বলে তিনি মনে করেন।এই জয়ের জন্য দলের সর্বভারতীয় সভাপতি, রাজ্য নেতৃত্ব এবং কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। মোদি ও শাহ দুজনেই জানিয়েছেন, এই জয় শুধু রাজনীতির নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন ও নতুন পথচলার সূচনা।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে বড় অভিযান! ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, যেখানে ৪৭৯ জনকে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামও রয়েছে, যার বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই জেলাতেই সম্প্রতি উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে এবং বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে এক তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, যেখানে ২৪৬ জনকে ধরা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা উত্তর থেকে ১০৯ জন, হুগলি থেকে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়া থেকে ৩২ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের সময়ে কোনও অশান্তি যাতে না হয় এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগামী দিনেও এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ চলবে এবং যারা আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ভোটের আগে সম্ভাব্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট-এ ওঠে। পরে আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে স্ট্রং রুমে চরম উত্তেজনা! বারবার বন্ধ সিসি ক্যামেরা, ভোররাতে হুলস্থুল জঙ্গিপুরে

শনিবার ভোররাতে জঙ্গিপুরে স্ট্রং রুমকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে থাকা স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধ হয়ে যায়। খবর পাওয়া মাত্রই সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস ভোররাতে দলবল নিয়ে সেখানে পৌঁছে যান।ঘটনাস্থলে গিয়ে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তাঁর তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। বায়রন বিশ্বাস স্ট্রং রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রং রুমের দিকে নজর রাখছিল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ। শুক্রবার রাতেই তারা প্রথম জানতে পারে যে সিসি ক্যামেরা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রশাসনের তৎপরতায় কিছুক্ষণের জন্য তা সচল হলেও পরে ফের ক্যামেরা বিকল হয়ে যায় বলে অভিযোগ।এরপরই খবর পৌঁছায় বায়রন বিশ্বাসের কাছে। ভোররাতে তিনি সেখানে পৌঁছাতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, স্ট্রং রুমের ক্যামেরা বারবার বন্ধ হওয়া কোনও সাধারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এর পেছনে বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।বায়রন বিশ্বাসের দাবি, তিনি এসডিও-কে ফোন করলে জানানো হয় যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক করতে সময় লাগবে। কিন্তু পরে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ফের একই সমস্যা দেখা দেয়। তাঁর অভিযোগ, এটা টেকনিক্যাল সমস্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু রয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বায়রন বিশ্বাস বিজেপির বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ করেন। এর আগে ভোট দিতে গিয়ে বারবার নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশির মুখে পড়ার অভিযোগও করেছিলেন তিনি। সেই সময়ও তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।ভোটের আগে স্ট্রং রুম ঘিরে এই ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে জঙ্গিপুরে। প্রশাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
দেশ

৯২ শতাংশ ভোটে উচ্ছ্বাস, তবু আদালতে বড় প্রশ্ন! কী বললেন প্রধান বিচারপতি

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পড়েছে। ২০১১ সালের ভোটের হারকেও ছাপিয়ে গিয়েছে এবারের সংখ্যা। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ায় খুশি সমস্ত রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সকলেই ভোটদানের হার নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।এই ভোটের হার দেখে খুশি হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও। এসআইআর মামলার শুনানির সময় তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোট পড়া দেখে তিনি আনন্দিত। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেন, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।আদালতে এদিন রাজ্যের ভোট নিয়ে আলোচনা হয়। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বহু পরিযায়ী শ্রমিক ট্রেনে করে এসে ভোট দিয়েছেন এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং নিরাপত্তা বাহিনী খুব ভালো কাজ করেছে।এদিকে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর পড়ে। আদালতের পরিবেশে কিছুটা হালকা মুহূর্তও তৈরি হয়, যখন এক আইনজীবী অন্যজনকে নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান এবং তা নিয়ে রসিকতা করেন বিচারপতিরা।এসআইআর মামলার শুনানিতে মূলত ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৭ লক্ষ মামলার মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান।এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করা যেতে পারে। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যা নিয়েও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আগেই বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে নতুন বিষয় উঠে এলে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে হবে। যাদের নাম ভুলভাবে বাদ গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে, সেই বিষয়গুলিও দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির জন্য হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।সব মিলিয়ে একদিকে যেমন রেকর্ড ভোটে খুশি আদালত, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ পেয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগের রাতেই বড় চাল! দ্বিতীয় দফা নিয়ে গোপন বৈঠক শাহের

রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট, আর তার আগেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে দীর্ঘ বৈঠক হল, যেখানে ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। এই নেতারাই বাংলার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন।প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলায় এই ভোট চলছে। মঙ্গলবারই প্রথম দফার প্রচার শেষ হয়েছে। সেই দিন একাধিক জনসভা করেন অমিত শাহ। প্রচার শেষ হতেই রাতেই তিনি দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁরা দ্বিতীয় দফার আসনগুলির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার যে ১৪২টি আসনে ভোট হবে, সেখানে আগের নির্বাচনে বিজেপির ফল খুব ভালো ছিল না। এমনকি সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও প্রত্যাশামতো ফল পায়নি দল। তাই প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে আলাদা করে কৌশল তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন অমিত শাহ।সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যেই থাকতে পারেন অমিত শাহ। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে, এবারের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় দফার আসনগুলিতে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপি।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

শেষবেলায় পাহাড়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক প্রতিশ্রুতি! গোর্খা ইস্যুতে বড় ঘোষণা

প্রথম দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার একাধিক সভায় অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্শিয়াং, কুলটি, শালবনি এবং চণ্ডীপুরএই চারটি জায়গায় তাঁর সভা হওয়ার কথা ছিল। কার্শিয়াংয়ের সভা থেকেই গোর্খা সমস্যা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি।অমিত শাহ দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হলে ৬ মে-র মধ্যেই প্রত্যেক গোর্খার মুখে হাসি ফিরবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোর্খা ইস্যু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং এর জন্য কংগ্রেস ও তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি।সভার শুরুতেই তিনি জানান, আগে দার্জিলিংয়ে আসার পরিকল্পনা থাকলেও হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এবং আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ২১ তারিখ অবশ্যই পাহাড়ে আসবেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই তিনি পৌঁছেছেন।কার্শিয়াংয়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। মমতাদিদিকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে।উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। ৫০০ বেডের ক্যানসার হাসপাতাল, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস এবং একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও বলেন তিনি।এছাড়াও উত্তরবঙ্গকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অনুপ্রবেশ রোধ, নতুন শিল্পশহর গঠন, চা বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

এবার ভোটে বাইক বন্ধের ‘মেগা রুল’! জারি হল চাঞ্চল্যকর নিষেধাজ্ঞা

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কঠোর হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। এবার বাইক চলাচল নিয়েও জারি হল একাধিক কড়া নিয়ম। স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ সংলগ্ন এলাকায় আগেই বাইক রিকুইজিশন করে নেওয়া হয়েছিল। এবার তার থেকেও কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক র্যালি বা মিছিল করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে।ভোটের দুদিন আগে সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বাইকে কাউকে বসিয়ে যাতায়াত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া, স্কুলে শিশু আনা-নেওয়া বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের দিন সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইকে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। এছাড়াও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচল করা যাবে। কিন্তু এই কারণ ছাড়া বাইক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।যদি বিশেষ কোনও প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়ে তবেই চলাচল করা যাবে। সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal